অতিরিক্ত ঘামলে কি করবেন? ঘাম থেকে মুক্তির উপায় কি?

অতিরিক্ত ঘামলে কি করবেন? ঘাম থেকে মুক্তির উপায় কি? -

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়, ঘেমে যাওয়ার কারন,  মুখ বেশি ঘামার কারণ, অতিরিক্ত মাথা ঘামা, কপাল ঘামলে কি হয়, ঘাম না হওয়ার কারণ কি, অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়, অতিরিক্ত ঘামের কারণ ও প্রতিকার, মাথা ঘামানোর কারণ ও প্রতিকার,

আমাদের সরির যদি সব সময় ঘামতে থাকে আমরা শুধু এগুলাই ভাবতে থাকি যে, ঘাম থেকে মুক্তির উপায় কি? অতিরিক্ত ঘামলে তার সমাধান কি? আজ আপনাদের সাথে সেয়ার করবো সরির ঘেমে যাওয়ার কিছু কারন 

আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা এই সমস্যায় ভুগেন৷ যাদের সারাক্ষন ঘাম ঝরতে থাকে। গরম হোক কিংবা ঠান্ডা হোক ফ্যান এর বাতাস তাও দেখা যায় অনেকের ঘাম ঝরে৷ এই অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যার কারনে নানা ধরনের চিকিৎসকের সরনাপূর্ন হন৷ কিন্তু আসলে ঠিক বুঝতে পারেন না যে তাদের কি হয়েছে। কখনো কখনো এই অতিরিক্ত ঘাম হরমনের সমস্যার কারনেও হতে পারে। সেই সাথে আমাদের আরো কিছু লক্ষন বা উপসর্গ থাকে যেমন - আমাদের ওজন কমে যেতে থাকে, অতিরিক্ত ঘামের ফলে দেখা যায় বুক ধরফর করে, চোখ অনেক সময় বড় বড় হয়ে বেরিয়ে আসে, ডায়রিয়া বা লুজমসন লেগেই থাকে। এই সব সমস্যাও যদি সাথেই থাকে তাহলে ধরে নিবেন আপনার থাইরয়েড হরমনে সমস্যা আছে। এবং এই অতিরিক্ত ঘামের জন্য সেই থাইরয়েড হরমনই দায়ি। তাহলে এই চিকিৎসাটি করালে আপনি এই সমস্যাটি থেকে মুক্তি পেতে পারেন৷ তবে কারো কারো ক্ষেত্রে বিশেষ করে বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ
হয়ে যাওয়ার পর বা রজনী বৃদ্ধি হয়ে যাবার পর অতিরিক্ত ঘাম হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে তারা হটাৎ অনেক ঘেমে যেতে পারেন এমনকি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষেও তারা ঘামতে থাকে। এই সমস্যাটিকে আমরা পোস মেনোপোজাল সিন্ড্রোম বলে থাকি। এবং এটি মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া মধ্যবয়েসী নারীদের হয়ে থাকে। এটারো কিছু সমাধান আছে এবং এটারো কিছু হরমন জনিত চিকিৎসা আছে। এটি যদি বেশি বিরক্তিকর মনে হয়ে থাকে এবং বেশি সমস্যা করতে থাকে তাহলে আপনি চিকিৎসক এর সরনাপর্ন হয়ে তার চিকিৎসা নিতে পারেন। তবে টেনশন সহ বিভিন্ন মানুষিক কারনেও ঘাম হতে পারে সেক্ষেত্রে দেখা যায় আমাদের হাত ঘামে বা কোন সমস্যায় পরলে বা টেনশনে পরলে সাথে সাথে আমরা ঘামতে থাকি। এবং এটি যেন খুব বেশি হয়ে না যায় সেক্ষেত্রেও আমরা চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে পারি। সাধারন ভাবে এগুলাই হচ্ছে ঘামের সাধারন কারন। তবে কখনো যদি কেও হটাৎ ঘামতে থাকেন এবং তার সাথে বুকে ব্যাথা হয় তাহলে হার্ট এটাকের কথা কখনই ভুলে যাবেন না। ডায়বেটিস রোগী যদি হঠাৎ করে করে অনেক ঘামতে থাকেন এবং তাদের বুক ধরফর করতে থাকে তাহলে হাইপোগ্লাইসোমিয়া এবং রক্তের সর্করা কমে গেল কিনা এই সমস্যার কথাও ভুলে যাবেন না। এগুলও কিন্তু খুবই কমন সমস্যা৷

Post a Comment

0 Comments